শনিবার বিকেলে পথচলা শুরু করল বেদা হেলথ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। কার্ডিয়াক, নারী ও শিশু চিকিৎসাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গড়ে ওঠা এই বহুমুখী হাসপাতালটি শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।প্রদীপ মজুমদার। রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম আসানসোলের মহারাজ স্বামী সোমাত্মানন্দজি, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার (এডিপিসি) সুনীল কুমার চৌধুরী, পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক শ্রী পন্নমবলাম এস, এডিডিএ-র সিইও আদিতি চৌধুরী এবং দুর্গাপুর পুরনিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, পাণ্ডবেশ্বর এর বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। হাসপাতালের কর্ণধার ঝিলম মুখোপাধ্যায় বলেন,"অত্যাধুনিক পরিকাঠামো ও উন্নত ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে মাতৃত্বকালীন পরিষেবায়। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য নিয়মিত অ্যান্টেনাটাল চেকআপ, অভিজ্ঞ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান, আধুনিক আল্ট্রাসোনোগ্রাফি সুবিধা। হাই-রিস্ক গর্ভাবস্থার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ ইউনিট এবং ২৪ ঘণ্টা জরুরি পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে। নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারির জন্য সুসজ্জিত অপারেশন থিয়েটার, নবজাতকের জন্য এনআইসিইউ সুবিধা এবং প্রসব-পরবর্তী কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও থাকছে।"আরেক কর্ণধর জয় সান্যাল বলেন,"শুধু চিকিৎসা নয়, মা ও নবজাতকের সার্বিক নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতদিন উন্নত মাতৃত্বকালীন চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই শহরবাসীকে বাইরে যেতে হতো। নতুন এই হাসপাতাল চালু হওয়ায় সেই নির্ভরতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন অনেকে। হৃদরোগ এর চিকিৎসা হবে অত্যাধুনিক মানের।" শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই আউটডোর পরিষেবা শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। শহরবাসীর আশা, বেদা হাসপাতাল আগামী দিনে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
দুর্গাপুর আপডেট নিউজ ডেস্ক : দুর্গাপুর শহরে আরো একটি নতুন হাসপাতালের সংযোজন হলো। দুর্গাপুর সিটি সেন্টার ফেজ টু এলাকায় হয়ে গেল দুর্গাপুরের বেদা হাসপাতালের উদ্বোধন।
No comments:
Post a Comment