সোমবার তাঁদের সম্মানে আয়োজিত হয় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, যেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ বাপি হালদার-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। মর্যাদা, গ্রহণযোগ্যতা ও সমতার বার্তাকে আরও দৃঢ় করে, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে নবদম্পতিকে ও তাঁদের পাশে দাঁড়ানো সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তাঁরা জানতো পথচলা সহজ হবে না, তবু পিছিয়ে আসেনি। আমি কৃতজ্ঞ সেই গ্রামবাসীদের কাছেও, যাঁদের অকুণ্ঠ সমর্থনেই এই মুহূর্ত সম্ভব হয়েছে।” “ভালোবাসা মানেই মানবিকতা, আর মানবিকতাই সমাজের প্রকৃত পরিচয়। এটি কেবল দুটি মানুষের বিয়ে নয়, এটি বাংলা ও গোটা দেশের গৌরব,” তিনি যোগ করেন। তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই তিনি নিজে গিয়ে এই দম্পতির সঙ্গে দেখা করবেন এবং তাঁদের আনন্দের অংশীদার হবেন। সেইসঙ্গে কুলতলির মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, যেভাবে তিনি ডায়মন্ড হারবারের মানুষের পাশে থেকেছেন, ঠিক সেভাবেই তাঁদের এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতিও তিনি নিশ্চিত করবেন।
বাংলা বরাবরই প্রগতিশীল চিন্তার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। সেই চিরায়ত ঐতিহ্যকে বহন করে সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত গ্রামে এই যুগলবন্দী হয়ে উঠেছে মানবিকতা, সাহস এবং স্বাধীনভাবে ভালোবাসার অধিকারের এক নীরব অথচ দৃঢ় ঘোষণা। তাঁদের বিবাহ গোটা দেশকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে—প্রগতির মূল শুরু হয় সহমর্মিতা থেকে, সর্বোপরি ভালোবাসাই স্বাধীনতার সবচেয়ে খাঁটি ও সত্য..
No comments:
Post a Comment