দুর্গাপুর বারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমান এক লক্ষ চৌদ্দ হাজার কিউসেক। রাত বারোটা পর্যন্ত এই পরিমান জল ছাড়ার পরিমান এই থাকবে বলে সেচ দফতরের আধিকারিক সঞ্জয় মজুমদার জানান। নতুন করে বৃষ্টি না হলে খুব একটা আতঙ্কের কারণ নেই বলে সেচ দফতরের এই আধিকারিক জানান। আজ দুর্গাপুর বারেজ পরিদর্শনে আসেন বাঁকুড়ার জেলা শাসক সৈয়দ এন, জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি সহ বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা। এরপর তারা দামোদর নদের জল ছাড়ার পরিস্তিতি দেখেন, ঘুরে দেখেন স্কাডা সেন্টার। এরপর সেচ দফতরের আধিকারিকদের সাথে একপ্রস্থ বৈঠকও সাড়েন বাঁকুড়ার জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার। যেকোনো রকম পরিস্তিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত বলে জানান বাঁকুড়ার জেলা শাসক। এইদিন বাঁকুড়ার জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ অর্চিতা বিদ সহ বাঁকুড়ার বড়জোড়ার বিডিও সহ জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা হাজির ছিলেন, পরিদর্শন করেন দুর্গাপুর বারেজ।অতি উৎসাহী কিছু মানুষ দামোদরের বাঁধে সেলফি সাথে জল ছাড়া দেখতে আসছেন, বিপদ এড়াতে প্রশাসন আরো তৎপর হবেন বলে জানান জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা। সব মিলিয়ে আজ ঝাড়খন্ডের বৃষ্টির ওপর নির্ভর করছে ডিভিসির জল ছাড়ার পরিমান কি হবে???রাতের পর বোঝা যাবে গোটা পরিস্তিতি।
দুর্গাপুর আপডেট নিউজ ডেস্ক : দুর্গাপুর বারেজ পরিদর্শনে এলেন, বাঁকুড়ার জেলা শাসক, সাথে ছিলেন জেলা প্রশাসনের পদস্ত কর্তারা। বিকেল চারটে পর্যন্ত জল ছাড়ার পরিমান ১ লক্ষ ১৪ হাজার কিউষেক। যেকোনো রকম পরিস্তিতির জন্য জেলা প্রশাসন তৈরি বলে জানালেন জেলা শাসক।
No comments:
Post a Comment