জানা গিয়েছে, ওই কারখানায় কাঁচা কলাকে প্রথমে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে প্রক্রিয়া করা হয় এবং এরপর সেগুলিকে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার চেম্বারে রাখা হয়। খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক শুভম ঘোষ জানিয়েছেন, কলা পাকানোর জন্য ঠিক কী ধরনের রাসায়নিক কতটা পরিমাণে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি খাদ্য সুরক্ষা মানদণ্ড মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করতেই খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে।
আধিকারিকরা কারখানায় কলা মজুত, প্রক্রিয়াকরণ এবং পাকানোর পুরো পদ্ধতির তথ্য সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ল্যাব রিপোর্টের পরেই স্পষ্টভাবে জানা যাবে যে ব্যবহৃত রাসায়নিক খাদ্য সুরক্ষা নিয়ম মেনে করা হচ্ছে কি না।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই বিশেষ অভিযানের সময় কাঁকসা থানার পুলিশ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। আচমকা এই অভিযানে কারখানা চত্বরে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দপ্তরের এই পদক্ষেপের পর এখন সকলের নজর তদন্ত রিপোর্টের দিকে।এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে এই কারখানা থেকেই নিত্যদিন সকালে ঠেলা গাড়িতে করে কলা পানাগড় বাজারে বিক্রি করেন বহু ব্যবসায়ী।এছাড়াও এই কারখানা থেকে কলা পৌঁছায় অন্যান্য জেলাতেও।
No comments:
Post a Comment