আসানসোল থেকে কৃষ্ণনগর, এবং দুর্গাপুর থেকে বীরভূম। এই সমস্ত রুটে নিত্যদিন বহু যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। নিয়মিত সেই সমস্ত বাসে চেপে যাত্রীরা নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছায়। কিন্তু এই সমস্ত রুট গুলিতে চলাচল করা অধিকাংশ যাত্রীবাহী বাসের কাগজপত্র ঠিক নেই। এমনকি মেয়াদ উত্তীর্ণ বাস চলাচল করছে এই সমস্ত রুটে। এক প্রকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে কিছু বাস মালিক ও বাস মালিক সংগঠন। এমনই অভিযোগ তুললেন পানাগড়ের বাসিন্দা তথা পরিবহন সংস্থার মালিক সুব্রত চক্রবর্তী। একাধিক প্রমাণ সহ তিনি এই বিষয়ে আর টি ও সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।
তার অভিযোগ পানাগড়ের উপর দিয়ে বহু বাস চলাচল করে। যেগুলি মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং ফিটনেস ফেল। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে ওই সমস্ত বাসগুলি। সেই সমস্ত বাসে যাত্রী নিয়ে রীতিমতো যাত্রী পরিষেবা দিচ্ছে বেশ কিছু বাস মালিক।
তার অভিযোগ ২০০৯ সাল থেকে তিনি পানাগড় বাজারে বাস অনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পানাগড় বাজারে সময় রক্ষক হিসাবে কাজ করতেন। তার অভিযোগ ২০১১ সালের পর থেকে একাধিক পুরনো বাস রাস্তায় নেমে যাত্রী পরিষেবা দিতে শুরু করে। এই বিষয়ে তিনি অ্যাসোসিয়েশন কে বারবার অভিযোগ জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ।
পরে সভাপতির মৃত্যু হলে তার পরিবর্তে কাঁকসা ব্লকের তৃণমূলের তৎকালীন ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্তর ভাই আদিত্য সামন্তকে সংগঠনের সভাপতি করা হয়। তার অভিযোগ তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে বাস ভাড়া নিয়ে বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাসের যোগান দিতেন। সেটাই হয়েছিল তার অপরাধ। এরপরেই তাকে অলিখিতভাবে তার কাজ থেকে তাকে বার করে দেওয়া হয়। তার অভিযোগ যেখানে ৭০ থেকে ৮০টি পাঞ্চিং করা বাস অবৈধভাবে রাস্তায় চলছে, সেখানে মাত্র চারটি গাড়ির নম্বর বাস মালিক সংগঠনের সভাপতি আর টি ও-র কাছে জমা দেয়। বাকি গাড়ি গুলির নম্বর কেন দেওয়া হয়নি সেই প্রশ্ন তোলার পরেও বিষয়টি প্রভাবশালী নেতাদের নির্দেশে ধামাচাপা পড়ে যায়। কারণ সেই সময় রাজ্যে শাসকের আইন চলছিল।রাজ্যে সরকার বদল হয়েছে। এবার রাজ্যে আইনের শাসন শুরু হয়েছে। তাই ফের তিনি বিভিন্ন দপ্তরে তার অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত সেই অভিযোগের বিষয়ে কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তার অভিযোগ। অন্যদিকে আরটিও একটি বাস কে কিছুদিন আগে ধরে তারা সেই গাড়িটি পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয় সেই গাড়িটি সঠিক এবং তার কাছে সঠিক কাগজপত্র রয়েছে। সুব্রত চক্রবর্তীর অভিযোগ যে গাড়িটিকে আর টি ও ধরে পরীক্ষা করেছে সেই গাড়িটি ৩৫ বছর আগের গাড়ি। অবৈধ গাড়িকে বৈধ করার একটা মোটা অংকের লেনদেন চলছে জেলা জুড়ে। তার অভিযোগ অবিলম্বে এই কারবার বন্ধ হোক এবং মানুষের জীবন নিয়ে ছেলে খেলা বন্ধ করে যাতে মানুষের জীবন গুলি বাঁচে সেই দিকে প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা নিক।
পরে সভাপতির মৃত্যু হলে তার পরিবর্তে কাঁকসা ব্লকের তৃণমূলের তৎকালীন ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্তর ভাই আদিত্য সামন্তকে সংগঠনের সভাপতি করা হয়। তার অভিযোগ তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে বাস ভাড়া নিয়ে বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাসের যোগান দিতেন। সেটাই হয়েছিল তার অপরাধ। এরপরেই তাকে অলিখিতভাবে তার কাজ থেকে তাকে বার করে দেওয়া হয়। তার অভিযোগ যেখানে ৭০ থেকে ৮০টি পাঞ্চিং করা বাস অবৈধভাবে রাস্তায় চলছে, সেখানে মাত্র চারটি গাড়ির নম্বর বাস মালিক সংগঠনের সভাপতি আর টি ও-র কাছে জমা দেয়। বাকি গাড়ি গুলির নম্বর কেন দেওয়া হয়নি সেই প্রশ্ন তোলার পরেও বিষয়টি প্রভাবশালী নেতাদের নির্দেশে ধামাচাপা পড়ে যায়। কারণ সেই সময় রাজ্যে শাসকের আইন চলছিল।রাজ্যে সরকার বদল হয়েছে। এবার রাজ্যে আইনের শাসন শুরু হয়েছে। তাই ফের তিনি বিভিন্ন দপ্তরে তার অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত সেই অভিযোগের বিষয়ে কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তার অভিযোগ। অন্যদিকে আরটিও একটি বাস কে কিছুদিন আগে ধরে তারা সেই গাড়িটি পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয় সেই গাড়িটি সঠিক এবং তার কাছে সঠিক কাগজপত্র রয়েছে। সুব্রত চক্রবর্তীর অভিযোগ যে গাড়িটিকে আর টি ও ধরে পরীক্ষা করেছে সেই গাড়িটি ৩৫ বছর আগের গাড়ি। অবৈধ গাড়িকে বৈধ করার একটা মোটা অংকের লেনদেন চলছে জেলা জুড়ে। তার অভিযোগ অবিলম্বে এই কারবার বন্ধ হোক এবং মানুষের জীবন নিয়ে ছেলে খেলা বন্ধ করে যাতে মানুষের জীবন গুলি বাঁচে সেই দিকে প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা নিক।
No comments:
Post a Comment