DurgapurUpdate

Durgapur Update 24 X 7 bengali news portal


Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

Saturday, April 11, 2026

দুর্গাপুর পূর্ব পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে জনসভায় সাংসদ কীর্তি আজাদের তীব্র আ*ক্রমণ বিজেপিকে

দুর্গাপুর আপডেট নিউজ ডেস্ক : "বিজেপি কেবল 'জুমলা পার্টি', মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন তা করে দেখান" জনসভায় বললেন কীর্তি আজাদ। দুর্গাপুর পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে নির্বাচনী হাওয়া গরম করে, মাননীয় সাংসদ কীর্তি আজাদ দলীয় প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার ও কবি দত্তের সমর্থনে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিশাল জনসভা সম্বোধন করেন। নিজের ভাষণে সাংসদ কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সাফল্যগুলি তুলে ধরেন।কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর তীব্র আক্রমণ: 'জুমলা' ও 'ষড়যন্ত্রের' পর্দাফাঁস
​সাংসদ কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেন যে, বাংলায় SIR (সফটওয়্যার/সিস্টেম ভিত্তিক হস্তক্ষেপ)-এর মাধ্যমে মানুষের ভোট কাটার গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা সফল হতে দেবে না। বিজেপির প্রতিশ্রুতিগুলিকে 'ফাঁপা' বলে অভিহিত করে তিনি বলেন:
​বিহারের উদাহরণ: "বিহারে নির্বাচনের সময় ১০,০০০ টাকা দিয়ে ভোট কেনা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেই গরিবদের বাড়িতেই বুলডোজার চালানো হয়েছে।"
​অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি: অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা আসা, প্রতি বছর ২ কোটি চাকরি এবং দুর্গাপুরকে 'স্মার্ট সিটি' করার প্রতিশ্রুতি কেবল নির্বাচনী জুমলা হয়েই রয়ে গেছে।
​মিথ্যে আশ্বাস: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার কথা ছিল, ২০২২ সালের মধ্যে সকলকে পাকাবাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল—এখন ২০৪৭ সালের কথা বলছে, এটাই ওদের জুমলা।
​নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিশানা করে তিনি বলেন, "সীমান্তে কেন্দ্রের বাহিনী রয়েছে, তা সত্ত্বেও ওরা অনুপ্রবেশের কান্না কাঁদে। আজ পর্যন্ত কেন্দ্র কেন জানায়নি যে আসলে কতজন অনুপ্রবেশকারী রয়েছে? এরা কেবল হিন্দু-মুসলিম করে ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের লড়াই লাগিয়ে দেশ ভাঙতে চায়।"
​মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: উন্নয়ন ও সেবার অন্য নাম
​কীর্তি আজাদ বলেন যে, যেখানে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগাভাগি করে, সেখানে তৃণমূল কর্মীরা মানুষের সুখে-দুখে পাশে থাকে। তিনি রাজ্য সরকারের জনহিতকর প্রকল্পগুলির কথা উল্লেখ করেন:
প্রকল্প মূল সুবিধা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (সংশোধিত) মহিলাদের মাসিক সহায়তা: ১,৫০০ টাকা (সাধারণ) এবং ১,৭০০ টাকা (সংরক্ষিত বিভাগ)।
বাংলার যুব-সাথী ২১-৪০ বছর বয়সী বেকার যুবকদের চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা।
আবাস যোজনা বাংলার প্রতিটি পরিবারের জন্য পাকা কংক্রিটের বাড়ির সংকল্প।
সাংসদ ভোটারদের কাছে আবেদন জানান যাতে তাঁরা প্রদীপ মজুমদার ও কবি দত্তকে বিপুল ভোটে জয়ী করে উন্নয়ন-বিরোধী শক্তিদের যোগ্য জবাব দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বাংলা কেবল উন্নয়নের ভাষা বোঝে, ঘৃণার নয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot