সাংসদ কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেন যে, বাংলায় SIR (সফটওয়্যার/সিস্টেম ভিত্তিক হস্তক্ষেপ)-এর মাধ্যমে মানুষের ভোট কাটার গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা সফল হতে দেবে না। বিজেপির প্রতিশ্রুতিগুলিকে 'ফাঁপা' বলে অভিহিত করে তিনি বলেন:
বিহারের উদাহরণ: "বিহারে নির্বাচনের সময় ১০,০০০ টাকা দিয়ে ভোট কেনা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেই গরিবদের বাড়িতেই বুলডোজার চালানো হয়েছে।"
অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি: অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা আসা, প্রতি বছর ২ কোটি চাকরি এবং দুর্গাপুরকে 'স্মার্ট সিটি' করার প্রতিশ্রুতি কেবল নির্বাচনী জুমলা হয়েই রয়ে গেছে।
মিথ্যে আশ্বাস: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার কথা ছিল, ২০২২ সালের মধ্যে সকলকে পাকাবাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল—এখন ২০৪৭ সালের কথা বলছে, এটাই ওদের জুমলা।
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিশানা করে তিনি বলেন, "সীমান্তে কেন্দ্রের বাহিনী রয়েছে, তা সত্ত্বেও ওরা অনুপ্রবেশের কান্না কাঁদে। আজ পর্যন্ত কেন্দ্র কেন জানায়নি যে আসলে কতজন অনুপ্রবেশকারী রয়েছে? এরা কেবল হিন্দু-মুসলিম করে ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের লড়াই লাগিয়ে দেশ ভাঙতে চায়।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: উন্নয়ন ও সেবার অন্য নাম
কীর্তি আজাদ বলেন যে, যেখানে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগাভাগি করে, সেখানে তৃণমূল কর্মীরা মানুষের সুখে-দুখে পাশে থাকে। তিনি রাজ্য সরকারের জনহিতকর প্রকল্পগুলির কথা উল্লেখ করেন:
প্রকল্প মূল সুবিধা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (সংশোধিত) মহিলাদের মাসিক সহায়তা: ১,৫০০ টাকা (সাধারণ) এবং ১,৭০০ টাকা (সংরক্ষিত বিভাগ)।
বাংলার যুব-সাথী ২১-৪০ বছর বয়সী বেকার যুবকদের চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা।
আবাস যোজনা বাংলার প্রতিটি পরিবারের জন্য পাকা কংক্রিটের বাড়ির সংকল্প।
No comments:
Post a Comment