দুর্গাপুর আপডেট নিউজ ডেস্ক : দুর্গাপুরের আনন্দমেলার আনন্দ গীতালি অনুষ্ঠান প্রমাণ করল দুর্গাপুর শহরের কৃষ্টি সংস্কৃতি এখনো হারিয়ে যায়নি।এখন বছর ভর দুর্গাপুর শহর জুড়ে চলে নানান অনুষ্ঠান।
কিন্তু দুর্গাপুর শহরের আসল যে কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তা যেন ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছিল। এমনই আশঙ্কা ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছিল দুর্গাপুরের সংস্কৃতি পরায়ণ মানুষের ভাবনায়। যেন একটা আশঙ্কার মেঘ তৈরি হচ্ছিল দুর্গাপুরের বুকে। কিন্তু আজও কৃষ্টি ও সংস্কৃতির শহর দুর্গাপুরে এখনো বেশ কিছু সংগঠন রয়েছে যারা এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। তেমনি একটি সংগঠন হলো দুর্গাপুরের আনন্দমেলা চারিটেবল সোসাইটি।
২৩ শে ডিসেম্বর ২০২৫, দুর্গাপুর সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে, দুর্গাপুর আনন্দমেলা চ্যারিটেবল সোসাইটির বার্ষিক অনুষ্ঠান " আনন্দ গীতালি " অনুষ্ঠিত হলো।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গানে কবিতায় অতিথি শিল্পী, মৌসুমী হোসেন এবং রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শিরিন সুরাইয়া।
দুই শিল্পীর অনুষ্ঠানই ছিল উচ্চমানের।আনন্দমেলার শিল্পীদের কণ্ঠে উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা হয়।
আনন্দমেলার সম্পাদিকা কাকলি মুখার্জীর কণ্ঠে নানান সংগীত দর্শকদের মন জয় করে নেয় এদিন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল, আনন্দমেলার থিম সং এর শুভ সূচনা। এছাড়া ছিল আনন্দমেলার প্রাণপুরুষ পুলিশ অফিসার রবীন্দ্র অনুরাগী মইনুল হকের কবি গুরুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার একটি অ্যালবামের গান যা সকলকেই ভীষণ মুগ্ধ করে।
সুন্দর নৃত্য শৈলীর নানান পরিবেশনা অনুষ্ঠানের মান আরো বাড়িয়ে তুলেছিল এই সংগীত সন্ধ্যায়।
সংগীতে নৃত্যে দুর্গাপুর আনন্দমেলা চ্যারিটেবল সোসাইটি আয়োজিত বার্ষিক অনুষ্ঠান মন্ত্রমুগ্ধের মত সকল দর্শকেরা সৃজনী পেক্ষাগৃহে বসে উপভোগ করলেন।
প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়া ভিড় আবারো প্রমাণ করলো কৃষ্টি ও সংস্কৃতির শহর দুর্গাপুরে এখনো হারিয়ে যায়নি সবকিছু , চটুল গানের ভিড়ে।
No comments:
Post a Comment