দেখতে দেখতে পঁচিশ বছরে পা দিয়ে সংস্থার কর্ণধার কাকলী দাসগুপ্ত রজতজয়ন্তী উৎসবের সূচনা করেন রক্তদান শিবিরের মধ্যে দিয়ে । দ্বিতীয় দিনে সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে আবৃত্তি, গান ও নৃত্য কোলাজ এর মধ্যে দিয়ে স্বপ্নছন্দম ২৫ শে অনুষ্ঠান শুরু হল । শুরুতেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জয় জয় সত্যের জয়, মোরা বুঝিব সত্য,খুঁজিব সত্য ধন, জয় জয় সত্যের জয়। মোরা মঙ্গল কাজে করিব সকলে দান জয় জয় মঙ্গলময় এই সংগীতময় কবিতার আলোকবর্তিকায় আলোকিত হয় মঙ্গলদীপ হাতে শিশুদের দিয়ে।
এরপর চলতে থাকে স্বপ্নছন্দম এর শিশু কিশোর কিশোরী তরুণী ও মাঝবয়সী মহিলা বাচিক শিল্পীদের এক একটা অনুষ্ঠান।
মঞ্চের একপাশে বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছবি। এবছর কবি সুকান্তের শতবার্ষিকী আবার আজকের ২৩ শে মার্চ দিনটি শহীদ ভগৎ সিং এর ফাঁসিতে মৃত্যুবরণ করার দিন। এই দুই মহান কবি ও বিপ্লবী কে স্মরণ করে মঞ্চ উৎসর্গ করা হয়েছে। ভগৎ সিং কে স্মরণ করে স্বপ্ন ছন্দম শিশু শিল্পীরা পরিবেশন করলো দেবেশ ঠাকুরের বিখ্যাত ২৩ মার্চ কবিতাটি। বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কে স্মরণ করে এক সুন্দর কবিতা পরিবেশনের পর ছোট্ট শিশুরা ভগত সিং কে নিয়ে আর ও একটি সুন্দর সমবেত কবিতা পরিবেশন করে।সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের না পাঠানো চিঠি কবিতাটি স্বপ্ন ছন্দমের মহিলা শিল্পীরা পরিবেশন করে।
সারাদিন ধরেই অনুষ্ঠান চলতে থাকে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের গুণীজনকে সম্বর্ধনা দেয়া হয় স্বপ্ন ছন্দমের পক্ষ থেকে। স্বপ্ন ছন্দমের শিল্পীরা ছাড়াও দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাচিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা স্বপ্ন ছন্দম এর রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। আবৃত্তি সংগীত নৃত্য পরিবেশন করে দর্শকদের মন জয় করেন । সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলা সারাদিনব্যাপী এই সুন্দর অনুষ্ঠান সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের মন জয় করে।
No comments:
Post a Comment