জানা গিয়েছে, এক স্কুলছাত্রী কোল্ড ড্রিংকস কিনতে স্থানীয় একটি দোকানে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেই সময় একটি প্যাকেট দেখিয়ে ছাত্রী দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করলে ,দোকানদার তাকে হারবাল চকলেট বলে একটি চকলেটের মতো বস্তু দেয়। পরে ওই ছাত্রী স্কুলে এসে সেটি নিয়ে বিষয়টি জানায়। বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসতেই তারা ছাত্রীর কাছ থেকে ওই বস্তুটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন। তখনই সন্দেহ হয় যে সেটি আসলে হারবাল চকলেট নয়, বরং ভাং জাতীয় নেশাজাতীয় উপাদান। এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীর অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের স্কুলে ডেকে পাঠান এবং পুরো ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে জানান। বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা ধনুরা প্লট এলাকার ওই দোকানে গিয়ে দোকানদারের কাছে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
অভিযোগের মুখে দোকানদার নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, অনিচ্ছাকৃতভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে এবং তিনি এই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে তিনি এও বলেন তিনি নিজে থেকে এটা দেননি। ছাত্রীটি চাওয়ায় তাকে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রীর অভিভাবক সহ স্কুলের অধ্যক্ষা দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করেন কেন না জানিয়ে নেশার বস্তু তাকে দেওয়া হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানি বোস বলেন শহরে প্রকাশ্যে এই ধরনের জিনিস বিক্রি করা আইনত অপরাধ এ বিষয়ে প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়ায়। ঘটনার খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। কীভাবে এবং কেন ওই নেশাজাতীয় বস্তু স্কুলছাত্রীর হাতে পৌঁছাল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
No comments:
Post a Comment